বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য ব্যাংকগুলো বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের কৌশল অবলম্বন করছে। কখনো একটি শক্তিশালী ব্যাংক কতগুলো দুর্বল ব্যাংকের অধিকাংশ শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে তাদের নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করছে। আবার কখনো সমজাতীয় কতিপয় ব্যাংক নিজেদের স্বাধীন সত্তা বজায় রেখে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি ব্যবস্থাপনার অধীনে যৌথভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রমও সম্পাদন করছে। গঠন প্রকৃতি যাই হোক না কেন ব্যাংকগুলোর মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে সেবাদানের মাধ্যমে অধিক মুনাফা অর্জন করা।
উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিশালী ব্যাংকটির অধীনে দুর্বল ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারিয়েছে বক্তব্যটির সাথে আমি একমত।
এ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অপেক্ষাকৃত দুর্বল ব্যাংক একটি শক্তিশালী ব্যাংকের অধীনে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। এক্ষেত্রে অধীনস্থ ব্যাংক শক্তিশালী ব্যাংকের দেওয়া নীতিমালা অনুসরণ করে।
উদ্দীপকে উল্লেখ্য, কখনো একটি শক্তিশালী ব্যাংক কতগুলো দুর্বল ব্যাংকের অধিকাংশ শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে তাদের নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করছে। অর্থাৎ, উক্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাংকগুলো গ্রুপ ব্যাংকিং-এর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। তবে গঠনপ্রকৃতি যাই হোক, ব্যাংকের মুখ্য উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন করা। তাই অধিক সেবা প্রদানে সচেষ্ট থাকে।
গ্রুপ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় দুর্বল ব্যাংকগুলো শক্তিশালী ব্যাংকের নীতিমালা অনুসরণে বাধ্য থাকে। ফলে দুর্বল ব্যাংকগুলো নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা শক্তিশালী ব্যাংকের কাছে চলে যায়। এতে দুর্বল ব্যাংকগুলো নিজেদের স্বাধীন অস্তিত্ব হারায়। সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিশালী ব্যাংকটির অধীনে দুর্বল ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারিয়েছে-বক্তব্যটি গ্রুপ ব্যাংকিং-এর আলোকে যথার্থ।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?